পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক জ্যাক সুলিভান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠক করেন দখলদার ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শক তাজাখি হানেঘবি এবং কৌশলগত সম্পর্কবিষয়ক মন্ত্রী রন ডারমান। সেখানেই ইসরাইলকে সমর্থন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তারা।

ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু হলে ইসরাইলকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন সেনাদের সেখানে সরাসরি মোতায়েন করা হবে না।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। সেদিন থেকেই গাজায় নির্বিচার হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। দুই পক্ষের এ সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলে নিয়মিত হামলা চালাচ্ছিল হিজবুল্লাহ। সম্প্রতি এ হামলা বেড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন বেশ কয়েক দফায় বলেছে, ইসরায়েলের উত্তরে নতুন কোনো যুদ্ধ চায় না তারা।

গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েল ও হামাসের চুক্তি যখন আলোর মুখ দেখছে না, তখনই হামলার পরিমাণ বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। এমন পরিস্থিতিতে উত্তর ইসরায়েলে দুই পক্ষের মধ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা করছেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তাঁদের শঙ্কা—হিজবুল্লাহ যদি তাদের হামলার পরিমাণ আরও বাড়ায়, তাতে ইসরায়েলিদের মৃত্যু সংখ্যা বাড়বে। এতে করে সর্বশক্তি নিয়ে লেবাননে হামলা চালাতে পারে ইসরায়েল।

সম্প্রতি সিএনএনের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যদি সর্বাত্মক যুদ্ধ বেধে যায়, তাহলে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে আয়রন ডোমসহ ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো। কারণ, দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যত ক্ষেপণাস্ত্র আছে, হিজবুল্লাহর হাতে তার চেয়ে বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।