ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে হামাসকে পুরস্কৃত করা: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে হামাসকে পুরস্কৃত করা বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ অধিবেশনের ভাষণে একথা বলেন তিনি।  

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, তিনি গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় যুক্ত ছিলেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে কয়েকটি শক্তিশালী দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এটি হবে হামাসের নৃশংসতার জন্য একটি পুরস্কার।

তিনি আরও বলেন, হামাসের মুক্তিপণের দাবির কাছে নতি স্বীকার না করে যারা শান্তি চায়, তাদের সবার একসঙ্গে একটাই বার্তা দেওয়া উচিত, এখনই জিম্মিদের মুক্তি দাও।

ট্রাম্প বলেন, তিনি যেসব যুদ্ধ ‘সমাধান’ করেছেন সেগুলো শেষ করার আলোচনায় জাতিসংঘ তার পাশে ছিল না। তিনি সাধারণ পরিষদকে প্রশ্ন করেন, ‘জাতিসংঘের উদ্দেশ্য কী? এটি তার সম্ভাবনার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারেনি… এটা ফাঁকা বুলি, আর ফাঁকা বুলি দিয়ে যুদ্ধ শেষ হয় না।’

তিনি আরও দাবি করেন, দ্বিতীয় মেয়াদের এখন পর্যন্ত সাতটি যুদ্ধ তিনি শেষ করেছেন, যেগুলো নিয়ে অনেকে বলেছিল এগুলো ‘কখনো শেষ করা যাবে না।’

তিনি যে সংঘাতগুলো তালিকাভুক্ত করেন সেগুলো হলো, কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড, কসোভো ও সার্বিয়া,  পাকিস্তান ও ভারত,  ইসরায়েল ও ইরান,  মিসর ও ইথিওপিয়া,  আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান, এবং কঙ্গো ও রুয়ান্ডার মধ্যে ‘নৃশংস সহিংস যুদ্ধ’।

তিনি বলেন, অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট কখনই এর কাছাকাছিও কিছু করতে পারেননি। জাতিসংঘ এদের মধ্যে কোনো ক্ষেত্রেই ‘সাহায্য করার চেষ্টা পর্যন্ত করেনি।’

এছাড়াও এই অধিবেশনের আসন বিন্যাসও ইঙ্গিত দেয়, বর্তমান বিশ্ব গত বছরের তুলনায় অনেক ভিন্ন। মার্কো রুবিও এবং নতুন জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের মাত্র দুই সারি ওপরে বসে আছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারাআ। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি একসময় জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ান্টেড তালিকায় ছিলেন। এমনকি তাকে এখনও কিছু জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার আওতায় রেখেছে।