ইরানের দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়াকে 'প্রতীকী ও বাস্তব উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন তেহরান থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক তোহিদ আসাদি।
তিনি বলেন, এই পুনরায় চালু করা শুধু একটি শিল্প কার্যক্রমের পুনরারম্ভ নয়, বরং ইরানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা, দেশটি লক্ষ্যবস্তু হওয়া স্থাপনাগুলো আবারও দ্রুত পুনর্গঠন করছে।
যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় দেশটির বিভিন্ন অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তেহরানের ভেতরে থাকা একাধিক তেল ডিপোসহ গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ পার্স গ্যাসক্ষেত্র ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এমনকি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্রগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।
এই উৎপাদন পুনরায় শুরু হওয়াকে অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হলেও ইরান কতটা দ্রুত ও কার্যকরভাবে পুনরায় রপ্তানি কার্যক্রমে ফিরতে পারবে, তা এখনো অনিশ্চিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নিষেধাজ্ঞা, অবরোধ, যুদ্ধজনিত ক্ষতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটপূর্ণ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলে জ্বালানি রপ্তানি পুনরুদ্ধার এখন দেশটির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা