মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে কূটনৈতিক ও সামরিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিত মিলছে। আল জাজিরাকে দেওয়া এক মন্তব্যে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফওয়াদ ইজাদি বলেছেন, ইরানের মূল লক্ষ্য হলো নিজের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের আক্রমণকে স্বাভাবিক বা গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে না দেওয়া।
তিনি বলেন, ইরান এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হতে দিতে চায় না যেখানে লেবানন বা ফিলিস্তিনে দেখা যাওয়া দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতবিরতির মতো অবস্থা দাঁড়িয়ে যায়, যেখানে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি থাকলেও বেসামরিক হতাহতের ঘটনা অব্যাহত থাকে।
ইজাদির মতে, ইরান মনে করে এই ধরনের যুদ্ধবিরতি বা রাজনৈতিক সমঝোতা বাস্তবে সংঘাতের প্রকৃত সমাপ্তি ঘটায় না, বরং তা নতুন রূপে সহিংসতাকে টিকিয়ে রাখে।
তিনি আরও দাবি করেন, কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার উৎস এখনো নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করা যায়নি, তবে অতীতের কিছু ঘটনায় ইরানের পদক্ষেপকে তিনি আত্মরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেন।
তার ভাষায়, ইরান যখন কোনো পদক্ষেপ নেয়, সেটি কোনো না কোনোভাবে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া হিসেবেই ঘটে থাকে।
এই ধরনের বক্তব্য ও পাল্টা অবস্থানগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের বদলে বরং কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে। সূত্র: আলজাজিরা