আলোচনায় অতিরিক্ত নমনীয়তা শত্রুকে উৎসাহিত করে: গারিবাবাদি

যুদ্ধ চললেও কূটনীতির পথ খোলা রাখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাশেম গারিবাবাদি। তবে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক বার্তা, অবস্থান ও ভাষা পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিবর্তন করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গারিবাবাদি বলেন, যুদ্ধের সময় কূটনীতি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন হলেও এর মাধ্যমে শত্রুর কাছে কোনো দুর্বলতার বার্তা দেওয়া উচিত নয়। তাঁর ভাষ্য, অপ্রয়োজনীয় নমনীয়তা শত্রুকে আরও উৎসাহিত করে।

তিনি বলেন, কোনো দেশ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে কূটনীতির দরজা বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। কারণ ইতিহাসে অধিকাংশ যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হয়েছে।

গারিবাবাদি আরও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্র ও কূটনীতির মধ্যে পূর্ণ সমন্বয় থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, বর্তমান সময়ে ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও সামরিক অবস্থানের মধ্যে যে সমন্বয় রয়েছে, তা এর আগে এতটা শক্তিশালী ছিল না।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের সময় কূটনৈতিক ভাষা শান্তিকালীন সময়ের মতো কোমল হবে, এমনটা প্রত্যাশা করা যায় না। পরিস্থিতির বাস্তবতা অনুযায়ী বার্তা ও অবস্থানের ভাষাতেও পরিবর্তন আনতে হয়।

ইরানি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার অভিজ্ঞতা থেকে তেহরান দেখেছে, ইরান যখন তাদের প্রতি অপ্রয়োজনীয় নমনীয়তা দেখিয়েছে, তখন তাদের দাবিও আরও বেড়েছে। তাই যুদ্ধকালীন কূটনীতিতে আলোচনার সুযোগ বজায় রাখার পাশাপাশি দুর্বলতার কোনো সংকেত না দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি। সূত্র: ডন