ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনী অবস্থান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন তাঁর এক উপদেষ্টা। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জোট গঠনের সক্ষমতার পক্ষে তেমন কোনো ইঙ্গিত মিলছে না।
টাইমস অব ইসরায়েল ও অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নেসেট নির্বাচন সামনে রেখে গত ২৮ জুলাই হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের সময় ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী জরিপের অবস্থা জানতে চান।
প্রশ্নের জবাব দিতে নেতানিয়াহু কিছুটা ইতস্তত করলে তাঁর এক উপদেষ্টা দ্রুত বলে ওঠেন, ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে, নেতানিয়াহু জিতছেন।
তবে প্রকাশিত প্রায় কোনো জরিপেই নেতানিয়াহুকে এককভাবে সরকার গঠনের মতো অবস্থানে দেখা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে তাঁর লিকুদ পার্টিও গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টির পেছনে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে নেতানিয়াহুকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর কিছু নীতি ও সিদ্ধান্তে ট্রাম্প হতাশ বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। বিশেষ করে ইরান, লেবানন ও গাজা ইস্যুতে নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অসন্তোষ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
দুই ব্যক্তির সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে কথা বলা ব্যক্তিদের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, নেতানিয়াহু সম্পর্কে ট্রাম্প মন্তব্য করেছেন, বেনি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় শত্রু।
নির্বাচনী জরিপে নেতানিয়াহুর দুর্বল অবস্থানও ট্রাম্প এখনো তাঁকে প্রকাশ্যে সমর্থন না জানানোর অন্যতম কারণ বলে জানিয়েছেন সাবেক এক মার্কিন কর্মকর্তা।
ট্রাম্পের সমর্থন নিয়ে অবশ্য নেতানিয়াহুর প্রতিদ্বন্দ্বীরাও উদ্বিগ্ন। বিরোধী রাজনীতিক আইজেনকট, নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদের সহযোগীরা আশঙ্কা করছেন, শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে সমর্থন জানাতে পারেন।
এ কারণে বিরোধী শিবিরের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলে গোপন বার্তা পাঠিয়ে আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনে তাঁকে নিরপেক্ষ থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল