ইরান ও সৌদি আরবের সঙ্গে একটি যৌথ নিরাপত্তা সমন্বয় পরিষদ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক। আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসিম আল-আরাজি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-আরাজি বলেন, তেহরান ও রিয়াদের মধ্যে দীর্ঘদিনের আস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে একটি অভিন্ন নিরাপত্তা কাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরাকের প্রস্তাব অনুযায়ী, তিন দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং অভিন্ন নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পারস্পরিক আস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে বাগদাদের।
তবে ইরাকের এই প্রস্তাব নিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরব বা ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইরাকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেছেন আল-আরাজি। তিনি বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের ইরাক থেকে প্রত্যাহার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই প্রত্যাহারকে দেশের সব ধরনের অস্ত্র ধীরে ধীরে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়ার সূচনা হিসেবে দেখছেন তিনি।
আল-আরাজির মতে, বিদেশি সামরিক উপস্থিতি কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে ইরাকের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা এবং অস্ত্রের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হবে। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি