সাম্প্রতিক দুই যুদ্ধে কার্যকর প্রমাণিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে তৈরি ও প্রতিস্থাপনের পাশাপাশি আরও আধুনিক ব্যবস্থা উৎপাদন করছে ইরান। দেশটির দাবি, এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি নিজস্ব প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হচ্ছে।
ইরানের সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা এলহামি বুধবার (২৬ আগস্ট) এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দুই যুদ্ধে শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান ও কৌশলগত ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রমাণ করেছে। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এখন নতুন কৌশল ও স্থানীয়ভাবে তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নের দিকে এগোচ্ছে তেহরান।
এলহামি জানান, ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা পরবর্তী ৪০ দিনের যুদ্ধে কাজে লাগানো হয়েছিল। দ্বিতীয় দফার যুদ্ধে সেই অভিজ্ঞতার কার্যকারিতা আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এ সময় ইরানের বাহিনী উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কৌশলগত ও গুরুত্বপূর্ণ ড্রোন এবং শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমানকে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ৪০ দিনের যুদ্ধ ইরানকে কৌশল নির্ধারণ, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা উৎপাদন, মোতায়েন এবং বিভিন্ন ব্যবস্থার বিন্যাস নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা প্রধান বলেন, এখন দেশটি সম্পূর্ণ নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে। যেসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৪০ দিনের যুদ্ধে ভালো ফল দিয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সেগুলোর অনুরূপ নতুন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নতুন ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সামরিক সরঞ্জামও উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব ব্যবস্থার উন্নয়ন ও উৎপাদনে শতভাগ ইরানি জ্ঞান, প্রযুক্তি ও বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। সূত্র: মেহর নিউজ এজেন্সি