সিরিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য বর্তমানে সবচেয়ে বড় সম্ভাব্য হুমকি ইসরায়েল বলে মন্তব্য করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। প্রতিবেশী দেশগুলো শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হয়ে উঠুক, ইসরায়েল তা বিশেষভাবে পছন্দ করে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া বক্তব্যে ফিদান এসব কথা বলেন। দুই দিনের সফরে দামেস্কে থাকা ফিদান জানান, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারার সঙ্গে তার প্রায় দুই ঘণ্টার বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে সব ধরনের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ফিদান বলেন, গত দুই বছরে সিরিয়ার সামগ্রিক অগ্রগতির ধারা ইতিবাচক ছিল। দেশটি নিষেধাজ্ঞা ও সন্ত্রাসবাদের তালিকা থেকে বাদ পড়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। তবে একই সময়ে সিরিয়ার স্থিতিশীলতার পথে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে সম্ভাব্য বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য, ইসরায়েল প্রতিবেশী দেশগুলো শক্তিশালী ও স্থিতিশীল থাকুক, এটি বিশেষভাবে পছন্দ করে না এবং সে কারণেই অস্থিতিশীলতা তৈরির মতো কর্মকাণ্ডে জড়ায়। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলকে হয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান মেনে নিতে হবে, নয়তো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে হবে।
এদিকে নতুন গঠিত মক্কা জোটের কাঠামো নিয়েও কথা বলেন ফিদান। তিনি জানান, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে জোটটির কাঠামো নিয়ে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে জোটটির সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়েও মন্তব্য করেন ফিদান। তিনি বলেন, ইরাকভিত্তিক কোনো পক্ষসহ যেকোনো দিক থেকে সৌদি আরবের ওপর হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। ইয়েমেনের হুথিদের পক্ষ থেকে সৌদি আরবের জন্য তৈরি হওয়া হুমকির বিষয়ে রিয়াদের প্রতি তুরস্কের সংহতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। সূত্র: আলজাজিরা