জাতিসংঘ মহাসচিব পদে আমিরাতের প্রার্থিতা নিয়ে বিতর্ক

সুদানের যুদ্ধে আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে নতুন এ প্রতিবেদন সামনে এসেছে এমন এক সময়ে, যখন দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক লানা নুসেইবেহ জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার প্রচার চালাচ্ছেন। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি চলতি বছরের শেষ নাগাদ দায়িত্ব নিতে পারেন।

যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত সুদানের রাষ্ট্রদূত বাবিকের আল-সিদ্দিক আল-আমিন এমইইকে বলেছেন, সুদানের সংঘাতে আরএসএফকে আমিরাতের সমর্থনের অভিযোগ আড়াল করতে নুসেইবেহর প্রার্থিতা ব্যবহার করা উচিত নয়। তাঁর ভাষায়, সুদানের মানুষের রক্ত যাদের হাতে, তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত নয়।

নুসেইবেহ অবশ্য আরএসএফের নৃশংসতার বিচার ও জবাবদিহির পক্ষে অবস্থানের কথা বলেছেন। পলিটিকোকে দেওয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আরএসএফের সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে এবং জাতিসংঘের অনুসন্ধানী সংস্থাগুলোর কাজকে তিনি সমর্থন করবেন।

জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এমইইর কূটনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য নুসেইবেহর প্রার্থিতার প্রতি ঝুঁকছে; চীন তাঁর পক্ষে নয়।

তবে নুসেইবেহ এখনো প্রাথমিক ভোটাভুটিতে অন্য কয়েকজন প্রার্থীর পেছনে রয়েছেন। কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান এ দৌড়ে এগিয়ে আছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আমিরাতের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কও এ প্রার্থিতা ঘিরে আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রে আমিরাতের বড় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যেও দেশটির উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ রয়েছে। চীন আমিরাতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার।