যুক্তরাষ্ট্রের ‘স্করপিয়ন স্ট্রাইক’ ড্রোন ইউনিটের ওপর নজর রাখছে আইআরজিসি

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) ‘টাস্ক ফোর্স স্করপিয়ন স্ট্রাইক’-এর কার্যক্রম ও ড্রোন উৎক্ষেপণস্থল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নতুন করে কোনো আগ্রাসন চালানো হলে জবাব দিতে প্রস্তুত বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।

রোববার (৮ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সির (এমএনএ) এক প্রতিবেদনে আইআরজিসির এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

আইআরজিসি জানিয়েছে, ইরানের গোয়েন্দা বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশেষ ইউনিটের কার্যক্রম অনুসরণ করছে। পশ্চিম এশিয়ায় মোতায়েন করা টাস্ক ফোর্সটির মূল লক্ষ্য বিপুলসংখ্যক ‘লুকাস’ (LUCAS) একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা।

ইরানের দাবি, স্বল্পমূল্যের এসব মার্কিন ড্রোন তাদের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের আদলে নির্মিত। বিপুলসংখ্যক ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র আকাশপথে হামলার সক্ষমতা বাড়ানো এবং ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে চায়।

ড্রোন শনাক্ত ও প্রতিরোধের দাবি

আইআরজিসি বলেছে, তাদের অ্যারোস্পেস ফোর্সের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার ইউনিট ও আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট উন্নত শনাক্তকরণ, অনুসরণ এবং ড্রোন প্রতিরোধব্যবস্থা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিটটির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে।

ড্রোনগুলোর পরিচালনাপদ্ধতি, কাঠামো এবং উৎক্ষেপণস্থল নিয়ে গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণও চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

আইআরজিসির দাবি, ড্রোনের উড্ডয়ন কৌশল পরিবর্তন, অতিরিক্ত অস্ত্র সংযোজন কিংবা ভিন্ন ধরনের উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলেও ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হবে না।

বাহিনীটি আরও জানিয়েছে, এসব আক্রমণাত্মক ড্রোন মোতায়েনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উড্ডয়নস্থল ও স্থাপনাগুলো তাদের প্রতিরক্ষামূলক মূল্যায়নের আওতায় রয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ইরানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের দায় পরিকল্পনাকারী, কমান্ডার, বাস্তবায়নকারী এবং সংশ্লিষ্ট আশ্রয়দাতা দেশগুলোর ওপর বর্তাবে।