ইরান যুদ্ধের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেলে ওভাল অফিসে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপ করেন।
তিনি দাবি করে বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলা শুরু করার সময় 'শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন' (Regime Change) যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ছিল না। তবে তিনি বারবার উল্লেখ করেন যে, ইরানে বর্তমানে এমন একটি নেতৃত্ব রয়েছে যাদের সাথে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসতে পারে। যদিও ইরান সরকার বরাবরই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার কথা অস্বীকার করে আসছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর পিছিয়ে গেছে। তবে এই দাবির সপক্ষে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। আলোচনার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ইরানের প্রক্রিয়াজাত করা ৬০০ কিলোগ্রামের (১,৩০০ পাউন্ড) বেশি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুতের বিষয়টি। এই বিশাল মজুতের ভবিষ্যৎ কী হবে, সে সম্পর্কে ট্রাম্প কোনো মন্তব্য করেননি।
বিশেষজ্ঞদের মনে এখন বড় প্রশ্ন- এই ইউরেনিয়াম মজুতের নিয়ন্ত্রণ শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে? এটি কি ইরান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে, নাকি সেখানেই সুরক্ষিত করার ব্যবস্থা করা হবে? এর অর্থ কি এই মজুত নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন স্থল সেনাদের ইরানে প্রবেশ করতে হবে? প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ইস্যুটি এড়িয়ে গেছেন, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।