বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে চলমান পুশইন সমস্যা নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেছেন, এ সংকট দুই দেশের পারষ্পরিক সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
বুধবার (১৭ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, সীমান্তে আটকে পড়া মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি পূর্ণ সম্মান বজায় রাখা অপরিহার্য।
এক সাংবাদিকের প্রশ্নে ডুজারিক জানান, শত শত শিশু ও নারী সীমান্তে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। শিশুরা ক্ষুধায় কাঁদছে, নারীরা খোলা আকাশের নিচে অমানবিক পরিস্থিতিতে রাত কাটাচ্ছেন। এ বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব মনে করেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধানই সবচেয়ে কার্যকর পথ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও আলোচনায় আসে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব এবং রোহিঙ্গা সংকট। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি ও বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রোহিঙ্গাবিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কয়েক মাস পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।
অন্যদিকে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও এর আগে দীর্ঘ সময় শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকরা জানতে চান, তাদের এই অবস্থান রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করবে কি না।
জবাবে ডুজারিক বলেন, সাধারণ পরিষদের সভাপতির মূল ভূমিকা হলো পরিষদের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা। তাই মহাসচিব ও সভাপতির মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ মূলত পরিষদ-সংক্রান্ত বিষয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান ও মানবিক সহায়তার কাজ জাতিসংঘ যথানিয়মে চালিয়ে যাবে।