ইরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের উদ্যোগে চীন খুবই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি বলেছেন, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে ইরানের সব বিমান চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেংয়ের সঙ্গে আলোচনা শেষে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে বেসেন্ট বলেন, ইরানের বিমান কোনো বিমানবন্দরে অবতরণ করলে সেখানে তাদের জ্বালানি দেওয়া, অবতরণের সেবা দেওয়া কিংবা টিকিট বিক্রি করা যাবে না। এসব সেবা দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে মার্কিন ডলারভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
বেসেন্ট বলেন, ইরানের বিমান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার হুমকি ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মাধ্যমে ইরানি বিমান সংস্থাগুলোকে বিমানবন্দর ও অন্যান্য বিমান চলাচলসংশ্লিষ্ট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের বিষয়ে চীনের আর্থিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। চীনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর প্যান গংশেংসহ দেশটির আর্থিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
বেসেন্টের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর মার্কিন অর্থনৈতিক চাপের ক্ষেত্রে চীনা কর্মকর্তারা খুবই সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। রোববার চীনা উপপ্রধানমন্ত্রী হে লিফেংয়ের সঙ্গে তার বৈঠকেও নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার বিষয়ে চীনের আর্থিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ওয়াশিংটনের আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। সূত্র: ডন