ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে প্রথমবারের মতো সরাসরি অংশ নিচ্ছে ফ্রান্স। প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, ফ্রান্সের পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী চার্লস দ্য গল-কে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
গতকাল মঙ্গলবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে এ তথ্য জানিয়ে ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ২ মার্চ সোমবার ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সাইপ্রাসে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন। যেহেতু সাইপ্রাস ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)-এর সদস্য, তাই ইইউ’র সনদ মেনেই সাইপ্রাসের নিরাপত্তার জন্য ভূমধ্যসাগরে নিজেদের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। ইতোমধ্যে চার্লস দ্য গল বাল্টিক সাগর থেকে ভূমধ্যসগরের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
ভাষণে ম্যাক্রোঁ বলেন, “এই মুহূর্তে সাইপ্রাসের নিরাপত্তা সহায়তা প্রয়োজন। এ কারণেই আমি ভূমধ্যসাগরে যুদ্ধবিমান ও চার্লস দ্য গল-কে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাল্টিক সাগর থেকে ইতোমধ্যে চার্লস দ্য গল রওনা হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে ভূমধ্যসগারে পৌঁছে যাবে।”
প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ আরও জানান, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে ফ্রান্সের নিরাপত্তা চুক্তি আছে। মধ্যপ্রাচ্যের অপর দুই দেশ জর্ডান এবং ইরাকের সঙ্গেও নিরাপত্তা বিষয়ক দৃঢ় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ফ্রান্স এসব চুক্তি ও প্রতিশ্রুতির প্রতি দায়িত্বশীল থাকবে।
“আমাদের অবস্থান থেকে যতখানি সম্ভব, আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব”, ভাষণে বলেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট।
সূত্র : গ্লোবাল নিউজ, রয়টার্স