ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, নির্বাচনী প্রচারকর্মীদের ওপর হামলা এবং প্রচারসামগ্রী পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ‘চেরেদি পাবলিক’-এর চেয়ারম্যান মোতি লেইটনার দাবি করেছেন, তাঁদের দল বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি ও হয়রানির শত শত অভিযোগ পেয়েছে।
দ্য টাইমস অব ইসরায়েল-এর সাংবাদিক স্টাভ লেভাটনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি মোদিইন ইলিত এলাকায় দলটির কর্মীদের পরিচালিত একটি নির্বাচনী বুথ ভাঙচুরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে অতি-গোঁড়া ইহুদি তরুণদের বুথটি ভাঙচুর করতে এবং নির্বাচনী প্রচারসামগ্রীতে আগুন দিতে দেখা যায়।
লেইটনার বলেন, সাম্প্রতিক ঘণ্টাগুলোতে তাঁদের কাছে ভোটকেন্দ্রে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হয়রানির অভিযোগের ঢল নেমেছে। এসব অভিযোগের মধ্যে রয়েছে ভোটকেন্দ্র থেকে চেরেদি পাবলিকের ব্যালট সরিয়ে ফেলা, দলটির কর্মীদের ওপর হামলা এবং ভোটারদের হুমকি দেওয়া।
তিনি আরও দাবি করেন, ভোটারদের বলা হচ্ছে, ব্যালট বাক্সে তাঁদের দলের ব্যালট পাওয়া গেলে কারা ভোট দিয়েছেন, তা শনাক্ত করা হবে এবং তাঁদের প্রতিশোধের মুখে পড়তে হবে। তবে ভোটারদের শনাক্ত করার এই দাবির পক্ষে প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ উল্লেখ করা হয়নি।
ঘটনার পর ইসরায়েলি পুলিশের প্রতি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন লেইটনার। তিনি বলেন, পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অন্যথায় অতি-গোঁড়া ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে দেশটির অন্যতম সহিংস ও জালিয়াতিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচারাভিযান দেখা যেতে পারে।
নির্বাচনে ভোটারদের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার এবং ব্যালটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। তবে চেরেদি পাবলিকের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে পুলিশ কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি।