সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ও পোস্ট ঘিরে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও, সেটিকে সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন দাবি বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ভাইরাল হওয়া পোস্টে দাবি করা হয়, ঈদের কেনাকাটা করতে এসে এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং তার স্বামীকে বেঁধে রাখা হয়েছিল। পোস্টটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করে ডিএমপি বলছে, উত্তরা তো দূরের কথা—ঢাকা মহানগরী কিংবা দেশের কোথাও এমন কোনো ঘটনার তথ্য পাওয়া যায়নি।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে এবং ভাইরাল দাবির সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
তার ভাষ্য, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে আতঙ্ক, বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশের পুরোনো ভিডিও বা সাজানো কনটেন্ট বাংলাদেশে ঘটেছে বলে প্রচারের একাধিক নজির পাওয়া গেছে। এর অনেকগুলোই বিভিন্ন ফ্যাক্টচেক সংস্থা ভুয়া হিসেবে শনাক্ত করেছে।
এ অবস্থায় গুজব বা অযাচাইকৃত তথ্য শেয়ার না করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি। পাশাপাশি কোনো তথ্য প্রচারের আগে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তা যাচাই করার পরামর্শও দিয়েছে সংস্থাটি।
ডিএমপির দাবি, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে গুজব ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তাদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।