বাংলাদেশে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে শুক্রবার বা শনিবার সারাদেশে ঈদ পালিত হবে। তবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে প্রতি বছর বাংলাদেশের নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, সাতকানিয়া, পটুয়াখালী, ভোলা, শরীয়তপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের কিছু এলাকায় শুক্রবার (২০ মার্চ ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে।
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে অন্যান্য বছরের মতো এবারও একদিন আগে ঈদ উল ফিতর উদযাপন করবে সাতকানিয়ার মির্জাখীল দরবার শরীফের মুরিদগণ।
জানা গেছে, সাতকানিয়ার মির্জাখীল, এওচিয়ার গাটিয়াডেঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা, হালুয়াঘোনা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালিপুর, চাম্বল, ডোংরা, শেখেরখীল, ছনুয়া, পুইছড়ি, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, বারখাইন, খাসকামা, কাঠাখালী, রায়পুর, গুজরা, লোহাগাড়ার পুঁটিবিলা, কলাউজান, চুনতী এবং সীতাকুণ্ডের মাহমুদাবাদ, বারিয়া ঢালা, বাঁশবাড়িয়া, সলিমপুর, মহালংকা, ফেনী, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ঢাকা, মুহাম্মদপুর, মুন্সীগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, মনোহরদী, মঠখোলা, বেলাব, আব্দুল্লাহ নগর, কাপাসিয়া, চাঁদপুর জেলার মতলব, সিলেট, হবিগঞ্জ, ফেঞ্চুগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নোয়াখালী, বরিশাল, পটুয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, ভোলা, মিরশরাই, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, রাউজান ও ফটিকছড়ির কয়েকটি গ্রামসহ চট্টগ্রামসহ পার্শ্ববর্তী জেলাসমুহের শতাধিক গ্রামের বহুসংখ্যক অনুসারী পবিত্র সওম পালন শেষে আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।
এছাড়া প্রতি বছরের ন্যায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদ পালন করবেন ভোলার ১৪ টি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ।
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যাংছড়ি, কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার অনেক গ্রামে থাকা মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরাও আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন।