ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পারিবারিক কলহের জেরে মারামারির ঘটনায় ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর লাথিতে মামুন মিয়া (৪৫) নামের এক পল্লী চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হালিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে বুধবার রাতে উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের মাঝিয়ারা গ্রামের মৃধাবাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত মামুন মিয়া মাঝিয়ারা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মামুন মিয়ার স্ত্রী নয়ন তারার সঙ্গে তার ছোট ভাই সুমনের স্ত্রী হালিমা খাতুনের বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বুধবার রাতে মাঝিয়ারা গ্রামের মৃধাবাড়িতে দুই পরিবারের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় হালিমা খাতুন মামুন মিয়ার বুকে লাথি মারলে তিনি আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নয়ন তারা বাদী হয়ে হালিমা খাতুনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামি হালিমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।