মুন্সিগঞ্জে নির্বাচনের পরদিন চরাঞ্চলের বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। পরাজিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজয়ী বিএনপি প্রার্থীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার আধারা, শিলই, চরকেওয়ার ও মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের পৃথক স্থানে এসব হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে কনক মোল্লা, হৃদয়, সবুজ, রেনু আক্তার, ফয়সাল, শাহ জামাল, আনসার উদ্দিন ও জামাল মোল্লাকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত জামাল মোল্লা অভিযোগ করেন, মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া গ্রামে জমি থেকে ফেরার পথে বিএনপি কর্মী সম্রাট ও শাহ আলালের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালানো হয়। তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, শিলই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীর 'ফুটবল' প্রতীকে ভোট দেওয়ায় সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সেকান্দার বাদশা। চরকেওয়ার ও আধারা ইউনিয়নেও সমজাতীয় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম জানান, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কথা কাটাকাটির জেরে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ কয়েকটি অভিযোগ পেয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চরাঞ্চলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে।