মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে ‘Artificial Intelligence and Digital Transformation in the 21st Century’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ১২তম তলায় অবস্থিত কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন মাভাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. নাজমুস সাদেকীন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিটন।
সেমিনারে মূল বিষয়ের উপর আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক (প্রেষণে) ড. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগের অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার সাহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বর্তমান বিশ্বের উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এ যুগে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান, গবেষণা দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিক, স্মার্ট ও গবেষণামুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার নয়, এর নৈতিক ও দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন ও শিল্পখাতে নতুন নতুন উদ্ভাবনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. নজমুস সাদেকীন বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গঠনে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের সেমিনার শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রবিউল ইসলাম লিটন সেমিনারের আয়োজনকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল রূপান্তর বিষয়ে আন্তঃবিষয়ক জ্ঞানচর্চা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ডিজিটাল রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা, গবেষণার নতুন দিগন্ত এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে এ প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।