সাড়ে ১৭ বছর জাতির বুকের মধ্যে যে যন্ত্রণা চেপে ছিল তা দূর হয়েছে: জামায়াতের আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, 'সামনে দূর্গাপুজাকে কেন্দ্র করে কিছু মতলববাজ দুষ্কতিকারী সমাজের শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট করতে না পারে সে ব্যাপারে সকলকে সজাগ থাকতে হবে। গত ৫ আগস্টের পর আমরা যে দায়িত্ব পালন করেছিলাম সে দায়িত্ব আবারো পালন করা লাগতে পারে সে ব্যাপারে আপনারা সতর্ক থাকবেন।'
 
রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) সকালের দিকে ফরিদপুর শহরতলীর মুন্সী বাজার বাইপাস সড়ক এলাকায় যাত্রা বিরতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে ঘাতকদের হাতে কুষ্টিয়ায় যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারের সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে এ কথাগুলো বলেন।
 
এ সময় জামায়াতের আমির বলেন, শহীদ পরিবারের ক্ষতি যেন আল্লাহ পুষিয়ে দেন। আল্লাহ যেন তাদের শহীদ হিসেবে কবুল করেন। মাবুদের দরবারে শুকরিয়া সাড়ে ১৭ বছর যে যন্ত্রনা জাতির বুকের মধ্যে চেপে ছিল তিনি তা দূর করে দিয়েছেন। আকাশে এখনও কাল মেঘ আছে আল্লাহ যেন তা সরিয়ে দেন। আকাশ যেন দিনের আলোয় ফর্সা হয়ে বাংলাদেশ ঝলমল হয়ে উঠে।
 
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাম্প্রদায়িক ‌সম্প্রীতির দেশে সামনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বড় পুজা আসতেছে সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি। পূজায় আমরা তাদেরকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব। যাতে কোন মতলববাজ আমাদের শান্তি শৃংখলা নষ্ট করতে না পারে। উলামা এবং ইসলামীদল গুলো অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
 
যারা মাইনরিটি মাইনরিটি বলে মানুষের ঘারে চেপে মুসলমানদের বেইজ্জত করতে চায় তারা বসে নেই কিন্তু এদের ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। এ দুষ্কৃতিকারীরা যেন ফাঁকে কোন অঘটন ঘটাতে না পারে শৃঙ্খলা নষ্ট করতে না পারে সে জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষদের সাথে নিয়ে ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। 
 
ফরিদপুর যাত্রাবিরতি পথসভায় ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা বদরুদ্দিন, নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, জেলা সেক্রেটারী অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহাব, পৌর আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী ইব্রাহিম মুনতাজির তাকিমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।