মেহেরপুরের গাংনীতে বিভিন্ন সময়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনায় মো. হোসেন আলী ওরফে ‘বোমা হোসেন’ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, এসব ঘটনায় তিনি মূলহোতা। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থেকে তাকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিজ বাড়ি থেকে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভোরে নাঙ্গলকোট এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোসেন আলীকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন দিবাগত রাত ২টার দিকে গাংনীর পূর্ব মালসাদাহ গ্রামে তার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় তার দেখিয়ে দেওয়া স্থান থেকে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার হোসেন আলী পূর্ব মালসাদাহ গ্রামের মৃত ওহিল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য, গাংনী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়ার পর ঘটনাগুলোর বিষয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তে একপর্যায়ে এসব ঘটনার সঙ্গে হোসেন আলীর সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনাগুলোর তদন্তের ধারাবাহিকতায় হোসেন আলীকে নাঙ্গলকোট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে নিজ বাড়ি থেকে দুটি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, হোসেন আলীর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি জিআর ওয়ারেন্ট রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। পাশাপাশি এসব ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।