মহেশপুর সীমান্তে পৃথক অভিযানে ভারতীয়সহ আটক ৪

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১৪ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে আটক করেছে ৫৮ বিজিবি। এ ছাড়া তিন বোতল ভারতীয় কাশির সিরাপ জব্দ এবং অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় দুই নারী ও এক শিশুসহ তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি মোবাইল ফোন এবং তাতে ব্যবহৃত একটি ভারতীয় ও একটি বাংলাদেশি সিম জব্দ করা হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ও রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা, নতুনপাড়া ও পিপুলবাড়িয়া সীমান্ত এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

৫৮ বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাত আড়াইটার দিকে বাঘাডাঙ্গা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৬০/৩৭-আর থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আদিবাসীপাড়ার কবরস্থানের পশ্চিম পাশে অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় ১৪ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোবাইল ফোনসহ মুকলেছুর রহমান (৩১) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক মুকলেছুর রহমান বাঘাডাঙ্গা গ্রামের আদিবাসীপাড়ার মো. ইউনুস আলীর ছেলে। তাঁর মোবাইল ফোনে একটি ভারতীয় ও একটি বাংলাদেশি সিম পাওয়া যায়। পরে জব্দ করা মাদকদ্রব্য ও মোবাইল ফোনসহ তাঁকে মহেশপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার রাত ৭টা ২০ মিনিটের দিকে নতুনপাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৬৬/৫-এস থেকে প্রায় ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নতুনপাড়া গ্রামের একটি মাদ্রাসার পেছনে অভিযান চালায় বিজিবি। নায়েব সুবেদার তাপস কুমার সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে মালিকবিহীন তিন বোতল ভারতীয় কাশির সিরাপ জব্দ করা হয়।

এ ছাড়া শনিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে কুসুমপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৬১/২০-আর থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পিপুলবাড়িয়া গ্রামের আমির হোসেনের মেহগনি বাগানে বিশেষ টহল পরিচালনা করে বিজিবি।

হাবিলদার মো. সিরাজের নেতৃত্বে পরিচালিত ওই অভিযানে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের সময় দুই নারী ও এক শিশুসহ তিন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। এ সময় মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

আটক তিন বাংলাদেশি নাগরিক ও জব্দ করা মোবাইল ফোনটি পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন (৫৮ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।