প্রায় ১৬ বছর পর ভোটের মাধ্যমে কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার (২৭ জুন) দুপুর ৩টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৫টায় শেষ হয়।
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল।
এদিকে সম্মেলনস্থলে নির্মাণ করা হয়েছে প্যান্ডেল। সম্মেলন ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করতেই লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকায় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সম্মেলন সফল করতে শহর এলাকাজুড়ে সড়কে সড়কে তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। টাঙানো হয়েছে নানা ধরনের ব্যানার-ফেস্টুন। আর সম্মেলন সফল করতে পৌর ২১টি ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশ শেষে আজ ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করবেন ডেলিগেট ভোটররা।
এ দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন ৬ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। ২১টি ওয়ার্ডে এ নির্বাচনে ১৪শ ৯৬জন ডেলিগেট ভোটার ভোটের মাধ্যমে পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করবে।
ডেলিগেট ভোটাররা বলেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদটি এমন একজন নেতার পাওয়া উচিত, যিনি তৃণমূলকে পুনরুজ্জীবিত করতে কাজ করবে। এছাড়াও বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতিত ত্যাগী নেতাদের সম্মেলনের মাধ্যমে মূল্যায়নের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভোটের মাধ্যমে বিএনপির নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে। তৃণমূলকে আরো পুনরুজ্জীবিত করতে জয়ীরা কাজ করবেন। আমরা সবাই একই দলের নেতাকর্মী। এ সম্মেলন সফল করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।