নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, আমার বর্তমান প্রধান অগ্রাধিকার হলো পবিত্র রমজান মাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা এবং আসন্ন গ্রীষ্মকাল সামাল দেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। আমি প্রাণপণ চেষ্টা করব যেন মানুষ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পায়। যান্ত্রিক কারণে দু-একটি ত্রুটি হতে পারে, তবে অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকবে বলে আমি আশা করি।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শহরের হোসেনপুর মহল্লার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া বিপুল পরিমাণ বকেয়া এবং জ্বালানি আমদানির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা আমার জন্য এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষা। আমি চেষ্টা করছি কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দিয়ে জনগণকে সর্বোচ্চ সুফল দেওয়া যায়।

তিনি আরও যোগ করেন, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দু-দিন হলো। আমি কাজগুলো বুঝে নিচ্ছি, পরিস্থিতি বিশদভাবে পর্যালোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ জানাতে পারব।

তাকে নির্বাচিত করার জন্য সিরাজগঞ্জবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, তার মেধা ও শ্রম দিয়ে সিরাজগঞ্জের উন্নয়নে তিনি সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবেন।

ব্যক্তিগত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি হাস্যোজ্জ্বলভাবে বলেন, মামা-ভাগনে (প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও তিনি) একসঙ্গে মন্ত্রিসভায় থাকা নতুন কিছু নয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায়ও মামা-ভাগনে মন্ত্রী ছিলেন, এখন তার ছেলের (তারেক রহমান) মন্ত্রিসভায়ও আমরা আছি।

মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর শুক্রবার সকালে দুইদিনের সরকারি সফরে সিরাজগঞ্জে পৌঁছালে তাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে তিনি শিয়ালকোল ইউনিয়নের কয়েলগাঁতী গ্রামের পৈতৃক বাড়িতে যান এবং বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন। সন্ধ্যায় তিনি স্থানীয় একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।