মধ্যরাতে ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলে পানিবাহিত রোগে একের পর এক শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার অভিযোগে মধ্যরাতে বিক্ষোভ করেছেন কুয়েত মৈত্রী হলের শিক্ষার্থীরা। তারা হল থেকে সড়কে নেমে তিন দফা দাবি জানান। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন ও হল সংসদের পদত্যাগ দাবি করার হুঁশিয়ারিও দেন তারা। বুধবার (১৩ মে) রাত ১১টার দিকে হল থেকে বের হয়ে সড়কে অবস্থান নেন তারা এবং বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দেন।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, গত দুই সপ্তাহে হলের বেশ কয়েকজন ছাত্রী পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বুধবার হল প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোনো বাজেট বরাদ্দ আছে কি না জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, এ খাতে নির্দিষ্ট কোনো বাজেট নেই।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, হলের পানির ট্যাংক পরিষ্কারের পর থেকেই পানিতে ব্লিচিং পাওডারের তীব্র গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। মুখ ধোয়া, কুলি করা কিংবা গোসলের সময়ও ওই গন্ধে অনেকের বমি ভাব হচ্ছে। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ডায়রিয়া ও বমির উপসর্গ নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, দূষিত পানির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার পর কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পোস্ট মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হয়। হল সংসদ, হল অফিস এবং বিভাগের শিক্ষকদের মাধ্যমে বারবার ফোন করে পোস্ট ডিলিট করতে বলা হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, মতবিনিময়ের সময় ‘স্বাস্থ্য খাতে বাজেট’ নিয়ে হল প্রশাসনের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষার্থীরা হল থেকে বের হয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন।

হলটির প্রভোস্ট ড. মাহবুবা সুলতানা বলেন, হলের শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য খাতে আলাদাভাবে কোনো বাজেট নেই।