শিগগিরই ক্লাসে ফেরার আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের

সর্বজনীন পেনশনের প্রত্যয় স্কিম বাতিল, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন-স্কেল প্রদান ও সুপার গ্রেডে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে টানা ১১ দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের মূল ফটকে এই কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা বলেন, দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিন দিন অচল থেকে অচলতর অবস্থায় চলে যাচ্ছে। কবে এই অবস্থার অবসান হবে? এই অবস্থার সমাধান আমাদের হাতে নেই। কারণ আমরা এই সমস্যা তৈরি করিনি। সমস্যা যারা তৈরি করেছেন তাদেরকেই সমাধান করতে হবে। একটি দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়, হাজার হাজার ছাত্রের ভবিষ্যৎ, শত শত কোর্স, পরীক্ষা—এভাবে দিনের পর দিন বন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। আমরা আশা করছি, শিগগিরই এ অবস্থার অবসান ঘটবে। আমরা আমাদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে ফিরে যেতে চাই।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া বলেন, আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছি। সরকার আমাদের সাথে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ করছেন না। কিন্তু অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগ অব্যাহত  রেখেছেন। অর্থ মন্ত্রণালয় যখন  প্রত্যয় স্কিমটি  করেন তখন আমাদের কোনো প্রতিনিধি রাখেননি। এমনকি শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়েরও কোনো প্রতিনিধি রাখা হয়নি। হঠাৎ করে আপনারা একটা কিছু চাপিয়ে দিবেন আর আমরা মেনে নেবো, যেটা আমাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও আত্মমর্যাদার সাথে জড়িত, তা হতে পারে না। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবো।