বলিউডের একচ্ছত্র রাজত্ব ছেড়ে কেন হঠাৎ মার্কিন মুলুকে পাড়ি জমিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া? ভক্তদের মনে দীর্ঘদিনের এই প্রশ্নের জট খুললেন অভিনেত্রী নিজেই। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, ইন্ডাস্ট্রির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং কাজের সুযোগ সীমিত হয়ে আসার কারণে অনেকটা 'কোণঠাসা' হয়েই তিনি বলিউড ছাড়ার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
সাক্ষাৎকারে প্রিয়াঙ্কা জানান, ক্যারিয়ারের তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তিনি বলিউডে নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। নিজের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণের ক্ষুধা থাকলেও তাকে সঠিক সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল না।
প্রিয়াঙ্কার ভাষ্যমতে, ‘আমি বুঝতে পারছিলাম আমাকে ধীরে ধীরে একঘরে করে ফেলা হচ্ছে। কাজের পরিধি কমে আসছিল এবং এক ধরণের শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। তখন আমি উপলব্ধি করি যে, আমার নতুন কোনো গন্তব্য খোঁজা প্রয়োজন।’
৩০ বছর বয়সে ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে থাকা অবস্থায় নতুন দেশে গিয়ে নতুন করে শুরু করা সহজ ছিল না। তবে প্রিয়াঙ্কা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। প্রথমে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি এবং পরবর্তীতে জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’ র মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে নিজের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেন। বর্তমানে তিনি হলিউডের প্রথম সারির একজন অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
২০১৮ সালে মার্কিন পপ তারকা নিক জোনাসকে বিয়ে করে প্রিয়াঙ্কা এখন স্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। বলিউডে তাকে সর্বশেষ ২০১৯ সালে ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল। তবে ভক্তদের জন্য সুখবর হলো, দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ভারতীয় প্রজেক্টে ফিরছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই তাকে ‘বারাণসী’ নামের একটি সিনেমায় দেখা যেতে পারে।