স্বাধীনতোত্তর বাংলাদেশের মঞ্চনাটক আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত কিংবদন্তি
অভিনেতা ও নির্দেশক আতাউর রহমানের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের মানুষ।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। সেখানেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিবর্গসহ সাধারণ মানুষ তাকে শেষ বিদায় জানাবেন।
অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানিয়েছেন, আতাউর রহমানের শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে দুপুরে। বাদ জোহর মগবাজারের ইস্পাহানি সেঞ্চুরি আর্কেডে তার নিজ বাসভবন সংলগ্ন খোলা মাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হবে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য। শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (১১ মে) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি। তার প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়লে শিল্পী সমাজ ও ভক্তকুলের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
১৯৪১ সালের ১৮ জুন নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করা আতাউর রহমান কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে সমৃদ্ধ করেছেন। তিনি একাধারে ছিলেন শক্তিশালী অভিনেতা, দূরদর্শী নির্দেশক ও দক্ষ নাট্যকার। শিল্প-সংস্কৃতিতে তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করে। তার মৃত্যুতে দেশ একজন নিবেদিতপ্রাণ সংস্কৃতিকর্মীকে হারালো, যার শূন্যতা অপূরণীয়।