মঞ্চ ও রূপালি পর্দার দাপুটে অভিনেত্রী মেরি বেথ হার্ট আর নেই। গত ২৮ মার্চ মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে ৭৯ বছর বয়সে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন মেয়ে মলি শ্রেডার এবং স্বামী প্রখ্যাত লেখক ও পরিচালক পল শ্রেডার।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মেরি ছিলেন একজন অত্যন্ত দক্ষ অভিনেত্রী, নিবেদিতপ্রাণ স্ত্রী ও স্নেহময়ী মা। পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাঁর মৃত্যুতে সবাই শোকাহত হলেও এই ভেবে সান্ত্বনা পাচ্ছেন যে, তিনি দীর্ঘদিনের শারীরিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
মেরি বেথ হার্টের পদচারণা ছিল থিয়েটার এবং চলচ্চিত্র উভয় মাধ্যমেই সমান উজ্জ্বল। ১৯৭৪ সালে নিউইয়র্ক সিটির বিখ্যাত 'ব্রডওয়ে' থিয়েটারে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু হয়। ক্যারিয়ারে ‘ক্রাইমস অব দ্য হার্ট’, ‘ট্রেলাউনি অব দ্য ওয়েলস’ ও ‘বেনিফ্যাক্টরস’-এ অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি তিনবার সম্মানজনক ‘টনি পুরস্কার’-এর মনোনয়ন পেয়েছিলেন।
১৯৭৮ সালে উডি অ্যালেনের ড্রামা ফিল্ম ‘ইন্টেরিয়র্স’-এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক ঘটে। এরপর দীর্ঘ কয়েক দশকে বহু জনপ্রিয় সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকর্ডিং টু গার্প’ (১৯৮২), ‘স্লেভস অব নিউ ইয়র্ক’ (১৯৮৯), ‘দ্য এজ অব ইনোসেন্স’ (১৯Messages), এবং ‘সিক্স ডিগ্রিস অব সেপারেশন’ (১৯৯৩)।
ব্যক্তিজীবনে ১৯৭১ সালে বিখ্যাত অভিনেতা উইলিয়াম হার্টের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন মেরি। তবে ১০ বছর পর তাঁদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। পরবর্তীতে তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা পল শ্রেডারের সঙ্গে সংসার শুরু করেন।
বরেণ্য এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে হলিউডের সহকর্মী ও ভক্তদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ফিলিস্তিনের হাইথাম জিতলেন বছরের সেরা ছবির পুরস্কার 
