ভারতের বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিতর্ক এখনও থামেনি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী ও তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে আইনি লড়াই আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। নতুন আইনি পদক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে বিষয়টি আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বনগাঁর এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার পর মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কিছুদিন জেল হেফাজতেও থাকতে হয়েছিল। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আইনি পাল্টা লড়াই শুরু করেন এবং একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন।
তনয় শাস্ত্রীর পক্ষের দাবি, মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার দিন নির্ধারণ করলেও মিমি চক্রবর্তী ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। এ পরিস্থিতিতে তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।
নতুন এই আইনি পরিস্থিতি ঘিরে টলিউড অঙ্গনেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি মিমি চক্রবর্তী। তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি পরোক্ষভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন।
অভিনেত্রীর দাবি, তাঁকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার অনেক ক্ষেত্রেই যথাযথ তথ্য যাচাই করা হচ্ছে না। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তিনি বাধ্য হবেন।
একই সঙ্গে মিমি চক্রবর্তী তাঁর সম্পর্কে কোনো সংবাদ বা তথ্য প্রকাশের আগে তা যথাযথভাবে যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দায়িত্বশীল ও তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনই এ ধরনের বিতর্ক এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।