বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনার রোমাঞ্চকর জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসছেন ফুটবলপ্রেমীরা। সাধারণ সমর্থকদের পাশাপাশি দেশের শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের আনন্দ ও অনুভূতি ভাগ করে নিয়েছেন। চঞ্চল চৌধুরী, পূর্ণিমা, পরীমণি, তৌসিফ মাহবুব, বেলাল খান, মিলা, কেয়া পায়েল ও তাসরিফ খান অনেকেই আর্জেন্টিনার জয় উদযাপন করেছেন নিজস্ব ভঙ্গিতে।
টানটান উত্তেজনার ম্যাচটি দেখে রোমাঞ্চিত অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী প্রতিপক্ষেরও প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘খুব ভয় পাইছিরে, তবে মিশর দুর্দান্ত খেলেছে।’
চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার জন্য কী দুর্দান্ত একটি রাত! যখন সারা বিশ্ব ভেবেছিল সব শেষ, মেসি এবং তার যোদ্ধারা দেখিয়ে দিলেন সত্যিকারের চ্যাম্পিয়নদের হৃদস্পন্দন কেমন হয়। সাহস, আবেগ আর বিশ্বাস এক নান্দনিক উপায়ে পুরো খেলার মোড় ঘুরিয়ে দিল। আলহামদুলিল্লাহ।’
নিজস্ব রসিক ভঙ্গিতে পরীমণি লিখেছেন, ‘হসপিটালে পা ভাঙা রোগীদের ফুটবল খেলা দেখা নিষেধ। আমি কিছু জানি না।’
মেসির দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব লিখেছেন, ‘পৃথিবীর সেরাদের কাছ থেকে সেরা কামব্যাক।’
ম্যাচের নাটকীয়তা নিয়ে রসিকতা করেছেন সংগীতশিল্পী বেলাল খানও। তিনি লিখেছেন, ‘রূপকথাকেও হার মানালো আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত কোনো দুর্নীতি ছিল না, রেফারিও ভালোই ছিল। কিন্তু যখন থেকে আর্জেন্টিনা গোল দিয়েছে, তখন থেকেই দুর্নীতি শুরু হয়েছে। হা হা হা।’
স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে গায়িকা মিলা মজা করে লিখেছেন, ‘দেখো, আমি খেলা দেখতে গেলাম, আর আমি আর্জেন্টিনাকে ডাকতেই ওরা জিতে গেল।’
ম্যাচের শেষ মুহূর্তের উত্তেজনা ছুঁয়ে গেছে অভিনেত্রী কেয়া পায়েলকেও। খেলা চলাকালে তিনি লিখেছেন, ‘আমার হার্টবিট ফাস্ট হয়ে গেছে।’
অন্যদিকে মেসির প্রতি অগাধ আস্থা প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী তাসরিফ খান। তিনি লিখেছেন, ‘জাদুকর যখন আছে মাঠে, ভয়ের কী আছে তবে? এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা।’