পরিবারের সুখ-শান্তি ও বন্ধন দৃঢ় রাখতে মা-বাবা, ভাই-বোন কিংবা স্ত্রী-সন্তানের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন আরও কিছু মানুষ। তাঁদের মধ্যে শাশুড়ি অন্যতম। তাঁর প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উপলক্ষ জাতীয় শাশুড়ি দিবস।
রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় শাশুড়ি দিবস (National Mother-in-Law Day)। প্রতিবছর অক্টোবরের চতুর্থ রোববার দিবসটি পালন করা হয়। এর উদ্দেশ্য পারিবারিক জীবনে শাশুড়ির অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তাঁর সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক উদ্যাপন করা।
‘ডেজ অব দ্য ইয়ার’ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশে দিবসটি পালনের কথা উল্লেখ রয়েছে।
শাশুড়ির সঙ্গে সম্পর্কের অভিজ্ঞতা সবার এক রকম নয়। কারও সঙ্গে সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক, আবার কারও ক্ষেত্রে মতপার্থক্য কিংবা নানা টানাপোড়েন থাকে। তবে অনেক শাশুড়ি পরিবারের সদস্যদের পাশে দাঁড়ান, সন্তানদের দেখাশোনায় সহযোগিতা করেন এবং কঠিন সময়ে ভরসা হয়ে ওঠেন।
দিবসটি তাই কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং পরিবারের এই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটির অবদান স্মরণ করারও সুযোগ। শাশুড়ির খোঁজখবর নেওয়া, ফোনে কথা বলা, একসঙ্গে সময় কাটানো কিংবা আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানানোর মধ্য দিয়ে দিনটি বিশেষ করে তোলা যায়।
সম্পর্কে দূরত্ব থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌজন্য বজায় রাখার মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন আরও সুন্দর হতে পারে।