বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর মতে, এটি ধাপে ধাপে নিম্নচাপ থেকে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।
আগামী ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যা থেকে ২৮ অক্টোবর সকালের মধ্যে সম্ভাব্য এই দুর্যোগটি ভারতের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর প্রচণ্ড উত্তাল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের মতে, ঘূর্ণিঝড়টি সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত হানার আশঙ্কা কম। তবে এর পরোক্ষ প্রভাবে ২৭ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বরের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সম্ভাব্য দুর্যোগ ও বৃষ্টির প্রভাবে পেকে যাওয়া ধানের মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই পাকা ধান ২৬ অক্টোবরের মধ্যেই কেটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি শীতকালীন সবজি ও বীজতলা রক্ষা করতে নালা পরিষ্কার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার, বীজ ও কাঁচা ফসল বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে পলিথিন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় গভীর সাগরে থাকা মাছ ধরার ট্রলার ও জেলেদের সাবধানে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সাথে সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতি নজর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।