১০টি রোগ নিরাময়ে 'বাসক পাতা'

খবর সংযোগ ডেস্ক: ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণে শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ। ফলে প্রতিনিয়ত মানুষকে ছুটতে হাসপাতালে। তবে কিছু রোগের প্রতিকার করা যায় ভেষজ নানা উপায়ে। কারণ আমাদের চারপাশে কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে, যা দিয়ে স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিজেরাই করা সম্ভব। এমনই একটা ঔষধি গুণে ভরপুর প্রাকৃতিক উপাদান 'বাসক পাতা'।

এটি ব্যবহার করে যেসব রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়:

সর্দি কাশি সারে: বাসক পাতার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু বাচ্চাদের খাওয়াতে পারলে সর্দি কাশি থেকে অনেকটাই আরাম পাওয়া যায়।

উকুন নাশক: বাসক পাতার রস যদি আমরা গোসলের কিছুক্ষণ আগে মাথায় দিয়ে রাখি এবং তারপর ভাল করে মাথা ধুয়ে নিই তাহলে উকুন মরে যায়।

ফোঁড়ার ব্যথা নাশক: আমাদের শরীরে ছোট ফোঁড়া অথবা ব্যথা দেখা দিলে যদি বাসক পাতা ভাল করে বেঁটে ফোঁড়ার উপর লাগানো যায় তাহলে ব্যথা কমে যায়।

কফ প্রতিরোধ: ঠান্ডার কারণে বুকে কফ জমে থাকে এবং অতিরিক্ত কাশি হয়, কফ যদি না ওঠে তাহলে সেক্ষেত্রে বাসক পাতার রস ১ চামচ মধুসহ খেলে বুকে জমে থাকা কফ খুব সহজেই উঠে আসবে।

প্রস্রাব যন্ত্রণা কমায়: প্রস্রাব করার সময় যদি কারও জ্বালা-যন্ত্রণা করে তাহলে তারা বাসক গাছের ফুল বেঁটে মিছরি দিয়ে শরবত করে খেলে এই রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

চুলকানি প্রতিরোধ: বাসক গাছের দশ থেকে পনেরোটি কচি পাতা এবং এক টুকরো কাঁচা হলুদ একসঙ্গে বেঁটে দাদ বা চুলকানিতে লাগালে কিছু দিনের মধ্যে তা ভালো হয়ে যায়।

জন্ডিস নিরাময়: বাসক পাতার রস বেঁটে যদি এক কাপ করে নিয়মিত খাওয়া যায় তাহলে জন্ডিস রোগ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়।

পাইরিয়া প্রতিরোধ: পাইরিয়া বা দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়লে বাসক পাতা ভাল করে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে এই সমস্যা ধিরে ধিরে ঠিক হয়ে যাবে।

শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা প্রতিরোধ: জ্বর, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলেও বাসক পাতা থেকে বিশেষ উপকারিতা পাওয়া যায়।

বাথের ব্যথা উপশম: বাসক পাতা বাতের ব্যথারও উপশম ঘটায়। এতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। যা বাতের ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করে।