ঝটপট সকালের নাস্তা

শুক্র-শনি ছুটি কাটিয়ে আলস্য যেন চেপে বসে। ঘুম থেকে উঠে যাদের নিত্য কাজের জায়গায় ছুটতে হয়, তারা বোঝেন সকালে আসলে কতটা ঝক্কি যায়। অফিসের জন্য তৈরি হবেন, না খাবার তৈরি করবেন! এই দোটানায় অনেকেরই সকালের নাস্তা ছুটে যায়। ফলে বাইরে বেরিয়ে বা অফিসে পৌঁছে জাঙ্ক কিংবা ফার্স্ট ফুড না হয় বাইরের তেলে ভাজা পরোটা মুখে গুঁজে দিনের কাজ শুরু করতে হয়। এভাবে চললে স্বাস্থ্যের বারোটা বাজতে খুব বেশি দের হবে না। 

আপনি নারীই হোন আর পুরুষ সকালে খাবার তৈরি করে মুখে তুলে খাওয়াবে এমন বয়সে নিশ্চয় নেই আপনি? তাহলে কষ্ট করে পনেরটা মিনিট হাতে রাখুন। এটুকু সময় পেলেই বানিয়ে নেওয়া যায়, দুর্দান্ত সব হেলথদি নাস্তা, যা পুষ্টিকর অথচ বানাতে বেশি সময় লাগবে না।

এমনই একটি রেসিপির খোঁজ রইলো আপনার জন্য। রান্নাঘরে থাকা সামান্য উপকরণ আর ডিম দিয়েই বানিয়ে ফেলা যাবে এই পদ। চলুন জেনে নেই সেই রেসিপিটি...

* একটা মাঝারি সাইজের আলু ছিলে গ্রেটারে কুচিয়ে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। একটা বাটিতে তিনটা ডিম ফেটিয়ে নিয়ে এর মধ্যে হাফ কাপ দুধ, স্বাদমতো লবণ, হাফ চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো, চিলি ফ্লেক্স দিয়ে খুব ভালো করে ফেটিয়ে নিন। বড় একটা টমেটো স্লাইস করে কেটে রাখুন। দুইটা পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন।

* এবার ফ্রাইং প্যানে ২ চামচ তেল গরম করে কুচানো আলু সামান্য লবণ দিয়ে ভেজে নিতে হবে। ৩-৪ মিনিট ঢাকনা দিয়ে ভাজলেই আলু সেদ্ধ হয়ে যাবে। এর মধ্যে পেঁয়াজ কুচি মিশিয়ে দিতে হবে। আলু আর পেঁয়াজ ভাজা ভাজা হলে একটা বাটিতে তুলে রাখুন।

* এবার ওই প্যানে এক চামচ তেল দিয়ে ওর মধ্যে স্লাইস করে কাটা টমেটো দিয়ে প্যানের চারিদিকে ভালো করে সাজিয়ে দিতে হবে। এবার মশলা দিয়ে ফেটে রাখা ডিমের মিশ্রণ এর ওপর ঢেলে দিতে হবে। সঙ্গে আলু-পেঁয়াজের ভাজাটাও ছড়িয়ে দিতে হবে। বাড়িতে থাকলে কিছুটা পনিরও এর ওপর ছড়িয়ে দিতে পারেন। আঁচ কমিয়ে প্যান ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। ৫ মিনিট পর ঢাকনা সরালেই দেখা যাবে ডিম ফুলে ফেঁপে উঠে দারুণ পিৎজার রূপ নিয়েছে। প্লেটে তুলে ছুরি দিয়ে পিৎজার মত কেটে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে এই টেস্টি ওমলেট।