বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার যে তৎপরতা চলছে, সেটিকে আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা আমরা চাইনি এবং যেহেতু আইনগতভাবে বলা আছে যে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, সেভাবেই এটাকে দেখা হবে সব জায়গায়।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এই প্রথম বিএনপির কোনো মন্ত্রী বা জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে নয়াপল্টন কার্যালয়ে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি কার্যালয়ে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে আলাপকালে তিনি বলেন, নয়াপল্টনের এই কার্যালয় থেকেই বিগত সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সবচেয়ে বড় আন্দোলনগুলো পরিচালিত হয়েছে, যার নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, সঠিক সময়ে সরকারি নিয়ম মেনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, ‘সরকারের কতগুলো নিয়মকানুন ও প্রথা আছে। কোনোটির মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোনোটির মেয়াদ আছে। সবগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে এসে সরকারের পক্ষ থেকে সঠিক সময়ে এই নির্বাচনগুলো দেওয়ার ব্যবস্থা আমরা করব। তবে এই নির্বাচনকে আমরা অবশ্যই প্রাধান্য দেব।’
জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের বিষয়ে তিনি জানান, জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং রাজনীতি ও দলের প্রতি আনুগত্যই হবে প্রধান মাপকাঠি। দলের ত্যাগী নারী নেত্রীদেরই এই পদের জন্য প্রাধান্য দেওয়া হবে।