পবিত্র ঈদুল ফিতরের আমেজ কাটতে না কাটতেই ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদের ছুটির খবর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ করে সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ক্যালেন্ডার ও সরকারি ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এবারের ঈদুল আজহায় টানা ৭ দিনের একটি দীর্ঘ ছুটি পাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ঈদের সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে একটি বড় বন্ধের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ মে এবং ৩১ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঈদের মূল ছুটির আগে ২২ মে (শুক্রবার) এবং ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। যদি প্রশাসনিকভাবে কোনো বিশেষ সমন্বয় করা হয় (যেমন শনিবার অফিস খোলা রেখে সেই ছুটি ঈদের সঙ্গে যুক্ত করা), তবে ছুটির পরিমাণ আরও একদিন বেড়ে যেতে পারে। ফলে শুক্র-শনিবার থেকে শুরু করে টানা এক সপ্তাহ বিশ্রামের সুযোগ পেতে পারেন কর্মজীবীরা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৬ মে মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ‘আরাফাত দিবস’ পালিত হতে পারে। সেই হিসেবে ২৭ মে সেখানে ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার কথা। আন্তর্জাতিক রীতিনীতি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর সাধারণত বাংলাদেশে ঈদ পালিত হয়। সেই হিসেবে আগামী ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
টানা দীর্ঘ ছুটির সম্ভাবনা থাকায় অনেকেই আগেভাগেই নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা শুরু করেছেন। তবে এই ছুটির বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়া পর্যন্ত সবটুকুই সম্ভাব্য হিসেবে ধরা হচ্ছে। সাধারণত ঈদের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত ছুটির দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়।