জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।
বুধবার (২৭ মে) জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
ডিএমপি কমিশনার, আগামীকাল ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসব উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের মতো ঢাকা মহানগরীতেও পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনীতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, জাতীয় ঈদগাহে মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য মোট পাঁচটি গেট রাখা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি পুরুষ এবং একটি নারী মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত। ঈদগাহ ও আশপাশের এলাকায় চার থেকে ছয় স্তরের নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সুইপিং টিম এবং সিটিটিসির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হচ্ছে। পুরো ঈদগাহ এলাকা ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে।
ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, ঈদগাহের সব প্রবেশপথে আর্চওয়ে, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টর ও ম্যানুয়াল তল্লাশি ব্যবস্থা থাকবে। মৎস্য ভবন ক্রসিং, প্রেস ক্লাবের সামনে এবং হাইকোর্ট ক্রসিংয়ে বিশেষ তল্লাশি ও ব্যারিকেড ব্যবস্থা থাকবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। ড্রোন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে আকাশ থেকেও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে।
তিনি জানান, ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। সোয়াট, বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। নারী মুসল্লিদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, জাতীয় ঈদগাহকেন্দ্রিক ট্রাফিক ডাইভারশন এবং পার্কিং নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। শুধুমাত্র জায়নামাজ এবং প্রয়োজনে ছাতা সঙ্গে নিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের ব্যাগ, ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা অপ্রয়োজনীয় ধাতব বস্তু সঙ্গে না আনার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।