নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক এবং বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ উপল বখত হাশেমীর স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাদ আসর রাজধানীর মিরপুরে সাংবাদিক আবাসিক এলাকার মসজিদুল ফারুক ও প্রয়াত উপলের বাসভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা সৈয়দ উপল বখতের বর্ণাঢ্য জীবন, সংগ্রাম এবং ছাত্র আন্দোলনে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান তুলে ধরেন। আলোচনা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব ও মহুরুমের ফুফাতো ভাই আখতার আহমেদ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।
এসময় উপস্থিতি ছিলেন স্মরণসভায় প্রয়াত উপলের পিতা সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত হাশেমী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সাবেক এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাবেক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ, সাবেক সচিব আশোক কুমার, পুলিশের সাবেক এই অতিরিক্ত আইজিপি আলীম মাহমুদ, ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান, সাবেক অতিক্তির ডিআইজি শ্যামল মুখার্জী, সিনিয়র সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, আমার দেশের উপ-সম্পাদক সুলতান মাহমুদ বাদল, খুলনা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, সেক্রেটারি নাসির আহমেদ রাসেল, অর্থ সম্পাদক রহমান আজিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলা সমিতি, তালা উপজেলা সমিতি, পাটকেলঘাটা থানা সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ কুলখানিতে করেন।
এর আগে গত সোমবার দুপুর একটার দিকে রাজধানীর আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ৫৯ বছর বয়সী উপল। এসময় পথচারীরা দ্রুত তাকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত্যুকালে তিনি বাবা-মা, স্ত্রী, দুই কন্যা, এক ছেলেসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।