চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন

উচ্চপর্যায়ের সফরে বাড়ছে ঢাকা-বেইজিং ঘনিষ্ঠতা

সম্প্রতি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের ঘন ঘন সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় এক নতুন মাত্রার সূচনা করেছে। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এই মন্তব্য করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশ ও চীন অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং দুই দেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বিশেষ করে চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের পরিবহন, কৃষি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও পর্যটন খাতে যৌথ সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।

রাষ্ট্রদূতের মতে, এসব খাতে সংযোগ বাড়লে উভয় দেশের জনগণের মধ্যকার আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে। একই সঙ্গে এটি বহুল আলোচিত ‘বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোর’ বাস্তবায়নের পথকে অনেকটা সুগম ও শক্তিশালী করবে।

তিনি দীর্ঘদিনের সামাজিক ও বাণিজ্যিক সংগঠনগুলোর অবদানের প্রশংসা করে বলেন, কয়েক দশক ধরে এসব সংগঠন দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। আগামী দিনেও চীনা দূতাবাস দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করবে।

বাংলাদেশকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত জানান, যৌথ সমৃদ্ধি অর্জন ও টেকসই উন্নয়নে চীনা দূতাবাস বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।