বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) ৭৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার পরিবহনের দুটি দরপত্রেই কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়নি। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় পার হলেও একটি প্রস্তাবও জমা পড়েনি।
নিয়মিত ঠিকাদারদের মতে, একটি প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে নানা ধরনের আতঙ্ক ছড়ানোয় কেউ দরপত্র জমা দিতে সাহস পাননি। ফলে বিএডিসিকে এখন বাধ্য হয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটির জন্য পুনরায় দরপত্র আহ্বান করতে হবে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৪০ হাজার ও ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিকাদারদের ভীতি ও কারসাজির কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি থমকে গেছে।
ঠিকাদারদের একটি অংশের অভিযোগ, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) কিছু সদস্য রাজনৈতিক নেতার নাম ব্যবহার করে বাজারে এই ভীতি তৈরি করেছেন। দরপত্র জমাদানের দিন বিএডিসির আশেপাশের এলাকায় ওই প্রভাবশালী মহলের সক্রিয় কর্মীদের অবস্থান করতে দেখা গেছে।
উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই আতঙ্ক ছড়ানোর ফলে সময়মতো সার পরিবহন নিয়ে বড় ধরনের জটিলতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষি মৌসুমে মাঠপর্যায়ে সারের সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম ও জিএম (সার ব্যবস্থাপনা) আজিম উদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।