আজ ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কফি দিবস। কফি শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কৃষক থেকে শুরু করে সবার প্রচেষ্টাকে সম্মান জানাতে এই দিনটি উদ্যাপন করা হয়। আন্তর্জাতিক কফি সংস্থার (আইসিও) উদ্যোগে ২০১৪ সাল থেকে এই দিনটি পালন শুরু হলেও বিশ্বমঞ্চে এটি প্রথম উদ্যাপিত হয় ২০১৫ সালে।
বিশ্বজুড়ে কফি পানের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ নানা উপকারী উপাদান বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। উৎপাদনে ব্রাজিল শীর্ষস্থানে থাকলেও কফি পানে সবচেয়ে এগিয়ে ফিনল্যান্ডের মানুষ।
নবম শতাব্দীতে ইথিওপিয়ার এক মেষপালক কালদির ছাগলের অস্বাভাবিক চঞ্চলতা দেখে কফি আবিষ্কারের রোমাঞ্চকর ইতিহাস শুরু হয়। ইয়েমেন ও অটোমান সাম্রাজ্যের হাত ধরে এই পানীয় ধীরে ধীরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে এসপ্রেসো, ক্যাপাচিনো কিংবা লাতে তরুণ প্রজন্মের আড্ডা ও কাজের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের শহুরে জীবনেও এখন চায়ের পাশাপাশি আধুনিক কফিশপের সংস্কৃতি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।