আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে: দুদক

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দুটি অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুদকের মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর অনুসন্ধান শুরু করে কমিশন।

এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আরও ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের তথ্য জানানো হয়। দুটি অভিযোগের অনুসন্ধানই চলমান রয়েছে।

দুদকের মহাপরিচালক বলেন, কমিশনের বড় মামলাগুলোর কার্যক্রম যৌথ অনুসন্ধান দল পরিচালনা করছে। তাদের কার্যক্রম সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলছে। এ প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত রয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, এ-সংক্রান্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে মামলা ও অভিযোগের কোনো ফাইল আটকে নেই এবং কাজের গতিও মন্থর হয়নি।

ব্রিফিংয়ে বর্তমান কমিশনের কার্যক্রমের পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২১টি মামলা করা হয়েছে এবং ৬১টি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ৬১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান ও একটি ফাঁদ মামলা পরিচালনা করা হয়।

এ ছাড়া দুদকের ৬৮টি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ক্রোক বা অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন। একই সময়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট ২২ ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার আদেশও দেওয়া হয়েছে।