বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশে চালু হচ্ছে ই-ভিসা। ই-ভিসা করতে আরব আমিরাতের সরকারি প্রতিষ্ঠান এমিরেটস টেকনোলজি সলিউশনস এলএলসি এবং এর কারিগরি সহযোগী প্রতিষ্ঠান সোসাইটিক ইন্টারন্যাশনাল ডি টেলিকমিউনিকেশনস অ্যারোনাটিকস-এর কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সেবা ক্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশের নাগরিকদের উন্নত পাসপোর্ট সেবা প্রদানের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, ক্রীড়া ইত্যাদি উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে ভ্রমণকারী বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াত সহজ ও দ্রুত করার লক্ষ্যে ই-ভিসা প্রবর্তনের কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বাংলাদেশে ই-ভিসা বাস্তবায়নের জন্য ২০১৯ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আহ্বায়ক করে সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়। বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কর্তৃক ই-ভিসা সল্যুশন সম্পর্কে ধারণা গ্রহণের জন্য আগ্রহী একাধিক প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রাথমিক প্রস্তাব আহ্বান করা হয়।
ইতোমধ্যে সৌদি আরব তিনটি নতুন দেশের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্দেশে অনলাইনে ইলেকট্রনিক ভিসা (ই-ভিসা) চালু করেছে। ওই তিন দেশের নাগরিকরা এখন থেকে অনলাইনে ই-ভিসা পেতে পারবেন। পাশাপাশি তারা চাইলে সৌদিতে পৌঁছে ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসাও পেতে পারেন। নতুন দেশগুলো হলো বার্বাডোস, কমনওয়েলথ অফ বাহামাস ও গ্রানাডা। এই তিন দেশ মিলিয়ে সৌদিতে মোট ৬৬ দেশের নাগরিকরা এই সুবিধা পাবেন।