চট্টগ্রামে এনসিপিসহ ৩ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের ফলাফল ঘোষিত হয়েছে। এতে বড় জয় পেয়েছে বিএনপি ও জামায়াত। তবে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় বিধি অনুযায়ী তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোট ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি ভোট পড়েছে। আইন অনুযায়ী, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ (২০ হাজার ৪৯০ ভোট) না পাওয়ায় এনসিপি প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জোবাইরুল হাসান আরিফ পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট। 

এই আসনে ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট। 

এছাড়া এই আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক।

চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছে বিএনপি। বাকি ২টিতে জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

বিএনপির বিজয়ীরা হলেন:
নুরুল আমিন (চট্টগ্রাম-১), সরওয়ার আলমগীর (চট্টগ্রাম-২), মোস্তফা কামাল পাশা (চট্টগ্রাম-৩), আসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৪), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), হুম্মাম কাদের চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৭), এরশাদ উল্লাহ (চট্টগ্রাম-৮), মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান (চট্টগ্রাম-৯), সাঈদ আল নোমান (চট্টগ্রাম-১০), আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১১), মো. এনামুল হক (চট্টগ্রাম-১২), সরওয়ার জামাল নিজাম (চট্টগ্রাম-১৩) ও জসিম উদ্দিন আহমেদ (চট্টগ্রাম-১৪)।

জামায়াতের বিজয়ীরা হলেন:
শাহজাহান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৫) ও জহিরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৬)।