চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটির ডংফাং স্কলারশিপে অর্জিত সাফল্য বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উৎসর্গ করেছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে স্কলারশিপ কর্মসূচি শেষ করে দেশে ফেরেন তিনি। এর আগে কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং-২০২৭-এ ১৩তম অবস্থানে থাকা পিকিং ইউনিভার্সিটির ডংফাং স্কলারশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেন ডা. আউয়াল এবং পরে অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত হন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, ৫৪টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ ১৯ ভোট পান।
ঢাকার বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নিজের এই অর্জন খালেদা জিয়াকে উৎসর্গ করার কথা জানান ছাত্রদলের এই নেতা।
ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল বলেন, আপসহীন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সবসময় পড়াশোনার জন্য উৎসাহ দিতেন। সে কারণেই তাঁর অর্জিত এই স্কলারশিপ খালেদা জিয়াকে উৎসর্গ করতে চান তিনি।
নিজের অর্জনকে বাংলাদেশের অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে ডা. আউয়াল বলেন, তাঁর এই সাফল্যের মাধ্যমে বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছে।
তিনি জানান, পিকিং ইউনিভার্সিটি ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত। বিশ্ববিদ্যালয়টির সঙ্গে চীনের ইতিহাসের পাশাপাশি দেশটির কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ডংফাং স্কলারশিপ কর্মসূচি ২০১৮ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেন।
স্কলারশিপে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ডা. আউয়াল। প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁদের সহযোগিতায় তিনি এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি জীবন দিয়েছেন, তবু আপস করেননি—এ কারণেই খালেদা জিয়া অনন্য।
এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল। এদিকে, ডা. আউয়ালকে স্বাগত জানাতে ঢাকার বিমানবন্দরে ছাত্রদলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।