দৈনন্দিন ব্যস্ততা, মানসিক ক্লান্তি ও অবসাদের কারণে অনেক সময়ই ইবাদতকে একটি যান্ত্রিক কাজ বা অতিরিক্ত বোঝা মনে হতে পারে। তবে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও কিছু চর্চার মাধ্যমে ইবাদতকে আত্মিক শক্তির মূল উৎসে পরিণত করা সম্ভব।
মূল্যবান সেই ৫টি উপায় খবর সংযোগের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-
ইবাদতকে শক্তির উৎস ও আশ্রয় ভাবা: ইবাদতকে কেবল দায়িত্ব হিসেবে না দেখে নিজের আত্মিক প্রশান্তি ও মানসিক আশ্রয়ের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। ব্যস্ত জীবন থেকে এক চিলতে বিরতি নিয়ে একাগ্রচিত্তে সৃষ্টিকর্তার সামনে দাঁড়ানোই মানসিক শক্তি জোগায়।
আন্তরিক সংযোগ ও সঠিক নিয়ত: পার্থিব দায়িত্ব পালন যেমন সন্তান, পরিবার ও সমাজের যত্ন নেওয়াও ইবাদতের অংশ। সকালে উঠে দিনজুড়ে মহান আল্লাহকে স্মরণের নিয়ত করা এবং দিনের বিভিন্ন সময় সেই নিয়ত নবায়ন করা উচিত।
ধীরস্থিরতা ও নিস্তব্ধতা উপভোগ: ইবাদতের সময় মনের অস্থিরতা দূর করে মনকে আল্লাহমুখী করা প্রয়োজন। বিশেষ করে সেজদায় রবের সঙ্গে হৃদয়ের নিবিড় সংযোগ অনুভব না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করে ইবাদতের আসল স্বাদ পাওয়া সম্ভব।
নিজের সামর্থ্য ও সহজ মাধ্যম বেছে নেওয়া: প্রত্যেকের সক্ষমতা আলাদা। নফল রোজা, তাহাজ্জুদ, দান-সদকা বা দরুদ শরিফ পাঠ—যে ইবাদতটি নিজের জন্য সহজ ও সাচ্ছন্দ্যময়, সেটি দিয়ে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করা উচিত। সামর্থ্যের বাইরে বাড়তি বোঝা না চাপানোই শ্রেয়।
অন্যের সাথে তুলনা না করে ধারাবাহিক হওয়া: নিজের আমলের উন্নতি ঘটাতে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। যেমন: প্রতিদিন অল্প হলেও নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করা। আল্লাহ তাআলা সেই আমলই বেশি পছন্দ করেন, যা পরিমাণে কম হলেও নিয়মিত করা হয়।