নারী দলের সাবেক অধিনায়ক জাহানারা আলমের তোলা গুরুতর যৌন হয়রানির সব অভিযোগের সত্যতা পায়নি তদন্ত কমিটি। তবে ফেঁসে গেছেন মঞ্জুরুল ইসলাম।
বুধবার এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, জাহানারার তোলা ৪টি অভিযোগের মাঝে দুটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।
বিশেষ করে নারী দলের সাবেক নির্বাচক ও ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অসদাচরণ ও হয়রানির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কমিটি জাহানারা আলমের করা চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পরীক্ষা করে। এর মাঝে দুটি অভিযোগ উপলব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয়নি। বাকি দুটি অভিযোগের ক্ষেত্রে, তৎকালীন নির্বাচক ও ম্যানেজার মো: মঞ্জুরুল ইসলামের অনুপযুক্ত আচরণের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে, যার সাথে বিসিবির চুক্তিভিত্তিক মেয়াদ ২০২৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়।’
তদন্ত কমিটি জানিয়েছে, মঞ্জুরুল ইসলামের কিছু কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এবং ‘হয়রানি’র পর্যায়ে পড়ে। তদন্ত রিপোর্ট অনুসারে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিসিবি।
উল্লেখ্য, গেল বছরের নভেম্বরে প্রকাশ্যে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের সাবেক নির্বাচক ও টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে যৌন হয়রারীসহ বেশকিছু গুরুতর অভিযোগ তোলেন জাহানারা।
যার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্রিকেটপাড়া। এমতাবস্থায় একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে বিসিবি। তিন দফায় সময় বাড়ানোর পর গত সোমবার বহুল আলোচিত এই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়ে বিসিবিতে।